অমুসলিম হলে কি রুকইয়াহ করতে পারবে? কিভাবে করবে?

জ্বি, রুকইয়াহ সবাই করতে পারবে। মুসলিম/অমুসলিম কোনো ভেদাভেদ নেই এখানে। মুসলিমরা যেভাবে রুকইয়াহ করে, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-অন্যরাও সেভাবেই কর...

Search This Blog

Showing posts with label ইসলাম. Show all posts
Showing posts with label ইসলাম. Show all posts

Sunday, April 14, 2019

কিছু কবীরা গোনাহের লিস্ট

[এটা আমার লেখা নয়। নাসিসাহ গ্রুপ থেকে নেয়া] 

গুনাহ দুই প্রকার। এক, সগীরা (ছোট গুনাহ) দুই. কবীরা (বড় গুনাহ)। যে গুনাহ সম্পর্কে কুরআন বা হাদীসে শাস্তির বিধান রয়েছে অথবা কঠিনভাবে নিষেধ করা হয়েছে তাকে কবীরা গুনাহ বলে। কোনো কোনো কবিরা গুনাহ অন্য কবিরা গুনাহ থেকে বড়। যেমন কুফরি করা, শিরক করা সবচেয়ে বড় গুনাহ।

নিম্নে কিছু কবিরাগুনাহ কুরআন ও হাদীস থেকে বর্ণনা করা হলো।
ব্যাপক প্রচলিত কয়েকটি কবীরা গুনাহঃ
.
১. আল্লাহ পাকের যে কোনো প্রকারের শিরক করা। অর্থাৎ তাঁর মহান সত্তা ও গুনাবলীর সাথে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে শরীক করা। [সূরা নিসা:১১৬, কিতাবুল কাবাইর,:১৪]

২. প্রিয় নবী সা.-কে আলিমুল গায়েব বা হাজির নাজির মনে করা। (উল্লেখ্য যে, আলেমুল গায়েব বলা হয়- যিনি পূর্ব অবগতি বা কারো জানানো ব্যতীত নিজে নিজেই প্রকাশ্য গোপনীয়-সবকিছুর খবর জানেন। আর হাজির নাজির ঐ সত্তাকে বলে যার উপস্থিতি বিশেষ কোনো স্থানে সীমাবদ্ধ নয়; বরং একই সময়ে গোটা বিশ্বে সবখানে বিরাজমান এবং একই সাথে বিশ্ব জগতের প্রতিটি বস্তুকে সমানভাবে দেখেন। সহজ কথায, যিনি সর্বদা সবকিছু দেখেন তিনিই হলেন হাজির নাজির।) [সূরা নামল:৬৫, সূরা আনআম:৫০,৫৯, সূরা কাসাস:৪৪, সূরা তওবা:১১৯]

হারানো জিনিস (বরং তার চেয়ে ভাল জিনিস) ফিরে পাবার দোয়া

Umm Salama, the wife of the Apostle of Allah (Peace be upon him), reported Allah's Messenger (Peace be upon him) as saying: If any servant (of Allah) who suffers a calamity says:"

إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا إِلاَّ أَجَرَهُ اللَّهُ فِي مُصِيبَتِهِ وَأَخْلَفَ لَهُ خَيْرًا مِنْهَا
 ‏
We belong to Allah and to Him shall we return;
O Allah, reward me for my affliction and give me something better than it in exchange for it," ' Allah will give him reward for affliction, and would give him something better than it in exchange. She (Umm Salama) said: When Abu Salama died. I uttered (these very words) as I was commanded (to do) by the Messenger of Allah (Peace be upon him). So Allah gave me better in exchange than him. i. e. (I was taken as the wife of) the Messenger of Allah (Peace be upon him).
source: https://muflihun.com/muslim/4/2000

ইস্তেগফারঃ রুজী, বিয়ে, নিঃসন্তান, ডিপ্রেসনের সমাধান!

  • আপনি কি রিজিক নিয়ে পরিশ্রান্ত? চাকুরী, ব্যবসা নিয়ে চিন্তিত?
  • বহু চেষ্টা করেও কি আপনার বিবাহ হচ্ছে না?
  • বাবু নিতে চান কিন্তু বাবু হচ্ছে না?
  • আপনি কি হতাশা, পেরেশানী, একাকিত্ব ভুগছেন?

মানবজীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো শুধু মাত্র একটি আমল করেই যদি উপকার পেতে চান তাহলে বলব ইস্তেগফারকে ভালবাসুন।

আল্লাহ তা'য়ালার বানীঃ তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি তো মহাক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের জন্য প্রচুর বৃষ্টিপাত করবেন, তিনি তোমাদের সমৃদ্ধ করবেন ধন সম্পদ ও সন্তান-সন্ততিতে এবন তোমাদের জন্য স্থাপন করবেন উদ্যান ও প্রবাহিত করবেন নদী-নালা। [সূরা নূহ, আয়াত ১০ থেকে ১২]

<>একবার হাসান বসরী রাহ. এর কাছে এক ব্যক্তি জানালো “ আমার ফসলে খরা লেগেছে। আমাকে আমল দিন” হাসান বসরী তাকে বললেন এস্তেগফার করো। কিছুক্ষণ পর আরেক ব্যক্তি এসে অভিযোগ পেশ করল “আমি গরীব। আমাকে রিজক এর আমল দিন” হাসান রহ. তাকেও বলেলন এস্তেগফার করো। এমনিভাবে অপর এক ব্যক্তি এসে সন্তান হও্য়ার আমল চাইলে তিনি বললেন, এস্তেগফার করো।” উপস্থিত ছাত্ররা জিজ্ঞেস করল, “সবাইকে এক পরামর্শই দিলেন যে?” বিখ্যাত তাবেয়ী হাসান বসরী রহ. বললেন “আমি নিজের পক্ষ থেকে কিছুই বলি নি। এটা বরং আল্লাহ তায়ালা তার কুরআনে শিখিয়েছেন । তারপর তিনি সুরা নুহ এর আয়াতটি তেলাওয়াত করলেন। (তাফসীরে কুরতুবী ১৮/৩০৩)

স্ত্রী বশের হালাল যাদু

[ডিসক্লেইমারঃ চেষ্টা করব রেফারেন্স সহ লেখার জন্য। কোন কথা যদি শরিয়তের বাইরে যায় তাহলে সে ত্রুটি আমার এবং সংশোধনযোগ্য। এই লেখা যদি কেউ মনে করে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতালদ্ধ মানে স্টেজগুলো আমি পার করে এসেছি তাহলে ভুল হবে। বিষ খেলে যে শরীরের ক্ষতি হয় সেটা জানার জন্য বিষ খাওয়ার দরকার নেই।]

লেখার শিরোনাম কতটুকু যৌক্তিক হল সে প্রশ্ন আসলে থেকেই যায়। কারণ সাধারণত আমাদের দেশে স্ত্রীদের বশ করতে হয় না। তারা এমনিতেই বশ থাকে। স্বামীকে ছাড়া থাকতে চায় না। দুই একটা ব্যতিক্রম সব কিছুতেই আছে।

হাদিসে এসেছে, ঐ ব্যক্তিই উত্তম যে তার স্ত্রীর নিকট উত্তম। [মিশকাত, ৬ খণ্ড, হাদিস -৩১১৪] এই হাদিস অনুযায়ী যদি আমরা পরীক্ষা করি তাহলে কত জন পুরুষ যে পাশ করবে বলা মুশকিল। তবে আমার ধারনা সিংহভাগই ফেল করবে। কি হতে পারে এর কারণ?

১। অনেক পুরুষ আছে যারা স্ত্রীদের আসলে মানুষই মনে করে না। ঘরের আসবাব যা শোভা বর্ধন করে এবং কালের পরিক্রমায় পুরাতন হয়ে যায়-এমনটা মনে করে। আর পুরাতন আসবাবপত্র আমরা কি করি? অবহেলায় ফেলে রাখি বা পরিবর্তন করে ফেলি। তারাও স্ত্রীদের এমনটাই মনে করে।