অমুসলিম হলে কি রুকইয়াহ করতে পারবে? কিভাবে করবে?

জ্বি, রুকইয়াহ সবাই করতে পারবে। মুসলিম/অমুসলিম কোনো ভেদাভেদ নেই এখানে। মুসলিমরা যেভাবে রুকইয়াহ করে, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-অন্যরাও সেভাবেই কর...

Search This Blog

Friday, July 12, 2019

একজন রাক্বির স্বভাব-চরিত্র কেমন হওয়া উচিত?

রাক্বির স্বভাব-চরিত্র কেমন হওয়া উচিত বা কি কি গুনাবলি সম্পন্ন হওয়া উচিত তা বোঝার আগে রাক্বি কি বোঝা দরকার।

এককথায় যিনি রুকইয়াহ করেন তাকে রাক্বি বলে। কনিফিউশন হল? যে রুকইয়াহ করে তাকে রোগী না বলে রাক্বি কেন বলছি?

আসলে রোগি রুকইয়াহ করাতে যার কাছে যান তিনি রাক্বি। রাক্বি রোগির উপর সরাসরি কুরআনের আয়াত বা হাদিসের দুআ' পাঠ করে রুকইয়াহ করেন, বিভিন্ন ধরনের শরঈ পরামর্শ দেন। যেহেতু মাঠ পর্যায়ে রুকইয়াহ করা মানে একপ্রকার শয়তানের সাথে যুদ্ধ করা সেহেতু রাক্বির কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্যের দরকার আছে যার দ্বারা তিনি আল্লাহর হুকুমে শয়তানের উপর বিজয়ি হবেন। ইনশাআল্লাহ এই গুনগুলো যাচাই-বাছাই করলে যে কেউ বুঝতে পারবেন রাক্বি কতটুকু ইসলামের উপর আছেন বা আদৌ তার থেকে কোন পরামর্শ / সেবা নিবেন কিনা।

মনে গেঁথে নেয়া উচিত, রাক্বি যদি হারাম শরীফের ঈমাম সাহেবও হন, কিন্তু আল্লাহর হুকুম নেই তাহলে রোগি রোগমুক্ত হবে না। কাজেই রাক্বির উপর নির্ভরশীল না হলে আল্লাহর উপর সম্পূর্ণ ভরষা করতে হবে। 

Monday, May 27, 2019

জিনের ধরা রোগী চেনার উপায় / জিন আসরের লক্ষণসমূহ

কোন মানুষকে কেন জিন আসর করে তা আগেই আলোচনা করা হয়েছে। জিনের আসর দুই ধরনের হতে পারে। 
  • আংশিক আসর
  • পূর্ণ আসর

আংশিক আসরের ক্ষেত্রে জিন রোগীর কোন অঙ্গে ঢুকে পড়ে। ফলশ্রুতিতে সেই অঙ্গে ব্যথা হয়, ধীরে ধীরে অঙ্গ তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। আর যখন পূর্ণরূপে আসর করে তখন জিন মানুষের মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এতে করে সারা শরীরের উপর জিনের দখল হয়ে যায় এবং জিন যেভাবে খুশি সেভাবে রোগীকে নিয়ন্ত্রণ করে। আমাদের সমাজে এই ধরনের রোগীকেই আমরা জিনে আসর করা রোগী বলে থাকি। 

পূর্ণ আসর হলেতো আর লক্ষন দেখার কিছু নেই। বোঝাই যায় জিনে আসর করেছে। তবে আংশিকভাবে আসর করেছে কিনা বোঝার জন্য নিচের লক্ষনগুলো পর্যালোচনা করা উচিত। জিনের আসরের লক্ষনগুলোকে আমি তিনভাবে সাজিয়েছি। 

যখন রোগী জেগে থাকেঃ

Wednesday, May 22, 2019

জিনের নজর বা বাতাস লাগা এবং রুকইয়াহ

বদনজরের আক্রান্ত ব্যক্তিকে যখন দুষ্ট জিন বিভিন্নভাবে কষ্ট দেয় তখন তাকে সহজ কথায় জিনের নজরে আক্রান্ত বলা যায়। তবে বদনজরের আক্রান্ত না হয়েও জিনের বদনজরে আক্রান্ত সম্ভব যেহেতু জিনেরা মানুষদের ঈর্ষা করে মানুষের উঁচু মর্যাদার কারনে। আর বদনজর অধ্যায়ে বলেছি বদনজরের অন্তরের রোগ; অন্তরের হিংসা-দ্বেষ-ঘৃনা থেকেই এর উৎপত্তি। 

গ্রামাঞ্চলে এই ধরনের রোগীকে "বাতাস লেগেছে" বলে অভিহিত করা হয়। 

বাতাস লাগা রোগীর লক্ষনগুলো বদনজরে আক্রান্ত রোগীর মতই।  প্রশ্ন হলো কিভাবে বুঝব জিনের নজর নাকি সাধারন কোন মানুষের বদনজর?

কোন ব্যক্তির যদি জিনের নজর লাগে তাহলে বদনজরের লক্ষনগুলোর মধ্যে বিশেষভাবে

Wednesday, May 15, 2019

কেন জিনে ধরে?

এখন কথা হল, জিন কি মানুষকে আসলেই সমস্যা ফেলতে পারে? উত্তর হল, পারে। হাদিস গ্রন্থ সমূহের চিকিৎসা অধ্যায়গুলো একটু ঘেটে দেখলে আমরা দেখতে পাব, রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম নিজেও জিনে ধরা রোগীর চিকিৎসা করেছেন। এই ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনায় যাচ্ছি না। যারা আগ্রহী তারা একটু খুজে নিবেন প্লীজ।

জিনজাতি সম্পর্কে সাধারন কিছু কথা ইতোমধ্যে আমরা জেনেছি। এবার জিনেরা মানুষদেরকে কি ধরনের সমস্যার ফেলে সে সম্পর্কে কিছুটা আলোকপাত করা যাক। জিনেরা মানুষকে যেসব সমস্যায় ফেলে তার মধ্যে সুপরিচিতগুলো হলঃ


  • জিনের বদনজর / বাতাস লাগা
  • জিনের আসর
  • কুমন্ত্রনা বা ওয়াসওয়াসা
  • যৌন নির্যাতন  
এধরনের সমস্যার আক্রান্ত হলে কিভাবে চিকিৎসা করতে হবে সে সম্পর্কে আলোচনার পূর্বে জিন কেন মানুষকে আক্রমন করে তা জানা জরুরী যেন আমরা জিনের আক্রমন থেকে বাচতে পারি। কথায় কাছে Prevention is better than cure! 

Thursday, May 9, 2019

ঝাড়ফুঁকে ব্যবহৃত কুরআনের আয়াতসমূহের বঙ্গানুবাদ

ঝাড়ফুঁকের সাধারন বা প্রসিদ্ধ যেসব আয়াত রয়েছে সেগুলোর বাংলা অর্থ টুকে দিলাম মতিউর রহমান খান অনূদিত "শব্দার্থে আল কুরআনুল মজীদ"দের বিভিন্ন খণ্ড থেকে। ইনশাআল্লাহ অর্থের দিকে লক্ষ্য রেখে পড়তে পারলে অধিক উপকার পাওয়া যাবে। 


সুরা ফাতিহা

১। সকল প্রশংসা একমাত্র আল্লাহতা'আলারই জন্যে যিনি সারাজাহানের রব।

২। যিনি দয়ামত মেহেরবান।

৩। বিচার দিনের মালিক।

৪। আমরা তোমারই এবাদত করি এবং তোমারই নিকট সাহায্য প্রার্থণা করি। 

৫। আমাদের সঠিক-দৃঢ়পথ প্রদর্শণ কর।

৬। ঐসব লোকের পথ যাদেরকে তুমি পুরস্কৃত করেছ।

৭। যারা অভিশপ্ত নয়, পথভ্রষ্ট নয়

Friday, May 3, 2019

রোজার সময় রুকইয়াহ কিভাবে করবেন?

পবিত্র রমজান মাস সমাগত। যারা রুকইয়াহ করছেন তারা হয়ত একটু চিন্তায় পড়েছেন রমজানে মাসে এত কিছুর ফাঁকে রুকইয়াহ কখন করবেন, কিভাবে করবেন? 

বরং রমজানে সময় বের করা সহজ। এই সময় ইবলিস থাকে শিকলবন্দি। বড় বড় শয়তানি তৎপরতা থাকে না। সময় নষ্ট করার প্রবনতা কম থাকে মানুষের। আর দুআ' কবুলের মাস হওয়াতে রুকইয়াহ ইন শা আল্লাহ তুলনামূলক বেশি ইফেক্টিভ হবে। 

রুকইয়াহ হিসেবে আমরা সাধারনত যেসব কাজ করে থাকি তা হলঃ

Tuesday, April 30, 2019

জিন সম্পর্কে সাধারন কিছু কথা

জিন মানুষের কিভাবে ক্ষতি করে এবং কিভাবে সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠা যায় সেগুলো আলোচনার পূর্বে জিন নিয়ে সাধারন কিছু কথা জানা যাকঃ

১। জিনেরা আল্লাহ তায়ালার সৃষ্ট জিব। মানুষের মতই তাদের জন্ম, মৃত্যু রয়েছে। 

২। জিনেরা মানুষকে দেখতে পায় কিন্তু মানুষ জিন দেখতে পায় না।

৩। তাদের বুদ্ধিমত্তা ও ভাল-মন্দ বাছাইয়ের স্বাধীনতা রয়েছে। 

৪। জিনদের মধ্যে যারা আল্লাহর হুকুম মানবে তাদের জন্য পরকালে রয়েছে পুরস্কার এবং যারা আল্লাহর হুকুম অস্বীকার করবে তাদের জন্য থাকবে কঠোর শাস্তি।

৫। ধোয়াহীন আগুন থেকে জিনদের তৈরি করা হয়েছে। 

৬। জিনেরা নিজেদের রূপ পরিবর্তনে সক্ষম।  জিন যদি মানুষ বা অন্যকোন প্রানির রূপ ধারন করে তখন মানুষ জিন দেখতে পায়। মানুষ ছাড়া প্রানিকুলের মধ্যে কুকুর এবং গাধারা জিন দেখতে পায়।

Friday, April 26, 2019

তাবিজ বা কবিরাজের দেয়া অন্য কোন জিনিস নষ্ট করার পদ্ধতি

বিপদে পড়ে অথবা কোন অবৈধ উদ্দেশ্য পূরণের জন্য মানুষ যখন কবিরাজ/হুজুর/বৈদ্যের কাছে যায় তখন কবিরাজ/হুজুর/বৈদ্যরা সাধারনত যেসব জিনিস দিয়ে থাকে তা হলঃ


  • তাবিজ
  • মাদুলি
  • মাছের কাটা
  • সুই
  • ধাতুর কোন ফলা
  • নকশা করা আংটি/মাটির পাত্র/অন্য কোন পাত্র
  • পানি পড়া 
  • কোন ধরনের পাউডার ইত্যাদি


রুকইয়াহ করার আগে এসব নষ্ট করা জরুরী। নিজের শরীরেরগুলো তো বটেই এমনকি ঘরেও ভালভাবে খুজে দেখা উচিত কোথাও কোন সন্দেহজনক কিছু আছে কিনা। থাকলে নষ্ট করতে হবে। তবে ঘরের অন্য সবাই যদি তাবিজের ভক্ত হয় এবং তাদের বোঝানো না যায় তাহলে যিনি রুকইয়াহ করবেন তিনি তার শরীর ও তার ঘরের সব তাবিজ নষ্ট করে রুকইয়াহ করতে পারবেন।

Tuesday, April 23, 2019

শয়তান থেকে সুরক্ষার সহজ কিছু আমল

মুহাম্মাদ তিম হাম্বলের লেখা থেকে এই পোস্টটি তৈরি করা হল। ইন শা আল্লাহ উপকারে আসবে।

আমল করার জন্য নিচের বিষয়গুলো গুলো শিখে নেয়া দরকারঃ

১। বিসমিল্লাহ

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

অর্থঃ অতিশয় দয়ালু আল্লাহর নামে


২। সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক, সুরা নাস

Friday, April 19, 2019

বদনজরের রুকইয়াহর আয়াতের তালিকা

আয়াত তেলাওয়াত করা সর্বোত্তম। মুখস্থ তেলাওয়াত করতে হবে এমন কোন শর্ত নেই। কুরআন শরীফ থেকে দেখে তেলাওয়াত করতে পারবেন। প্রতিদিন দুই ঘন্টা তেলাওয়াত করা উচিত। 

আয়াতের তালিকাঃ 

১। সুরা ফাতিহা

২। সুরা বাকারা। আয়াত নং- ৫, ১৭, ১৮, ১৯, ২০, ৫০, ৫৫, ৬০, ৬৯, ৭৬, ১০৫, ১০৯, ২৪৭, ২৫৫, ২৬৯, ২৮৫, ২৮৬। 

৩। সুরা আলে ইমরান। আয়াত নং- ১৩, ১৪, ২৬, ২৭, ৩৩, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ১১৮, ১১৯, ১২০, ১৬৯, ১৭০, ১৭১, ১৭২, ১৭৩, ১৭৪, ১৮৬। 

৪। সুরা আন-নিসা। আয়াত নং- ২৭, ৩২, ৫৩, ৫৪, ৭৩, ১০৮, ১১৩, ১৪১।

Thursday, April 18, 2019

বদনজর লাগলে কি করবেন?


একাধিক পদ্ধতিতে বদনজরের চিকিৎসা করা যায়ঃ

প্রথম পদ্ধতিঃ আব্দুল্লাহ লেখা পড়ায় ভাল। রেজাল্ট শীট দেখার পর আব্দুল্লাহর আব্বু খুবই চমৎকৃত হলেন। নানাভাবে আব্দুল্লাহর প্রশংসা করলেন। আব্দুল্লাহর আম্মু খেয়াল করে দেখলেন সেদিনের পর থেকে আব্দুল্লাহ পড়ালেখায় মন দিচ্ছে না। শুধু দুষ্টুমির চিন্তা করে, একদম কথা শুনে না। তিনি সন্দেহ করলেন নজর লেগেছে। 

তিনি আব্দুল্লাহর আব্বুকে অযু করতে বললেন। অযুর ব্যবহার করা পানিটা তিনি বালতিতে নিলেন। সেই হাত, পা, মুখ ধোয়া পানি গোসলের আগে আব্দুল্লাহর গায়ে ঢেলে দিলেন। এরপর থেকে আব্দুল্লাহ একদম আগের মত হয়ে গেল। পড়াশুনা করতে পারছে, দুষ্টুমিও করছে না। 

জ্বী, এটাই প্রথম পদ্ধতি। যদি আপনি জানেন কার নজর লেগেছে তাহলে তার অযুর পানি নিবেন, এরপর রোগীর গায়ে ঢেলে দিবেন। ইন শা আল্লাহ, রোগী সুস্থ হয়ে যাবে। এই পদ্ধতি বাচ্চা, প্রাপ্তবয়স্ক সবার জন্য প্রযোজ্য হবে।এই পদ্ধতি একবার অনুসরণ করলেই রোগী আল্লাহর হুকুমে সুস্থ হয়ে যায়।  

দ্বিতিয় পদ্ধতিঃ এখন প্রশ্ন আসে যে, যদি আব্দুল্লাহর আম্মু না জানতেন কার নজর লেগেছে তাহলে কিভাবে কার অযুর পানি নিতেন? 

Monday, April 15, 2019

বদনজর এবং এর লক্ষন সমূহ

অতিসংক্ষেপে যদি বলতে চাই তাহলে বলতে হয় বদনজর হল অন্তরের এক প্রকার অসুখ যা তীব্রভাবে অন্যকে আক্রমন করে। অন্যের কোন অসাধারণ বিষয় দেখলে মানুষের মনে সাধারণত একটু ঈর্ষাভাব জন্ম নেয়। অন্যের নিয়ামত দেখে মানুষের মনে দুঃখবোধ জন্ম নেয়। সেটার দিকে বার বার তাকায়, বার বার প্রশংসা করে অথচ আল্লাহর নাম স্মরণ করে না। এভাবে এই নিয়ামত ক্ষয়প্রাপ্ত হয় বা ধ্বংস হয়ে যায়। একেই বদনজর বলে। বদনজর পরশ্রীকাতর ব্যক্তির অন্তর থেকে বের হওয়া এক বিষাক্ত তীর যা আক্রান্ত ব্যক্তিকে প্রচন্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে। এই তীর কখনো লেগে যায়, কখনো মিস হয়। যদি উক্ত ব্যক্তি আগে থেকেই উদাসীন হয় তাহলে তীর লেগে যায়। আর যে সতর্ক থাকে আল্লাহ থাকে সাহায্য করেন, বাঁচিয়ে দেন। 

বদনজর থেকে বাঁচার জন্য কোন নেয়ামতের কথা বলার সময় আল্লাহর নাম স্মরণ করতে হবে। যেমন, "আলহামদুলিল্লাহ আমার বাবু লেখাপড়ায় খুব ভাল।" "মা শা আল্লাহ, তোমার চুল খুব সুন্দর।" এভাবে কথা বললে ইন শা আল্লাহ বদনজর থেকে বাঁচা যাবে। যদি অন্য কেউ বলে অথচ আল্লাহর নাম না নেয় তাহলে যাকে বলা হচ্ছে সে বলবে। যেমন, কেউ যদি বলে "তোমার চুল তো খুব সুন্দর!" তাহলে বলব, "আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ দিয়েছেন।"

ব্রণের সমস্যার জন্য কি করনীয়?

মূলত রুকইয়াহ রিলেটেড কথা-বার্তা বলার জন্য লিখছি। কিন্তু অন্য কথাও আলোচনা করা যাক প্রথমে।

জীবনে কখনও মুখে ব্রন হয়নি এমন মানুষ পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ আছে আমার। অনেকের শুধু মুখে নয় শরীরের অন্য জায়গাতেও ব্রনের মত বের হয়। এটা একটা বিরক্তিকর সমস্যা তাতে কোন সন্দেহ নেই। গোলগাল গ্লেসি চেহাড়া ব্রনের কারণে বিদঘুটে হয়ে উঠে বিধায় নারীজাতীর অন্যতম শত্রু এই ব্রন!

১। খাওয়ার অভ্যাসঃ খাওয়ার অভ্যাসে গোলমাল করে ব্রন উঠতে পারে মুখে। কাজেই সহজে হজম হয় এমন খাবার গ্রহণ করা উচিত। ভাজা, পোড়া, বাইরের খাবার সীমিত পর্যায়ে রাখা উচিত।

২। ঘুমের অভ্যাসঃ রাতে ঘুমের অভ্যাস করুন। একটানা ৬ ঘন্টা যেন ঘুমাতে পারেন সে দিকে খেয়াল রাখবে। সারাদিনে ৬ ঘন্টা না, রাতে ৬ ঘন্টা। এগারোটার দিকে শুয়ে পড়লে আরামসে ৬ ঘন্টা ঘুমুতে পারবেন।

Sunday, April 14, 2019

তাবিজ জায়েজ? কেন তাবিজ থেকে দূরে থাকবেন?

কোন ফতোয়া দেয়া বা কারও সমালোচনা করা এই পোস্টের উদ্দেশ্য নয়।

হানাফি ফিকহের ফতোয়া অনুযায়ী তাবিজ জায়েজ। তবে কিছু শর্ত আছে। কি শর্ত? ইসলামে কয়েক প্রকার তাবিজ জায়েজ নয়। যথা-

১-কুরআন হাদীস দ্বারা ঝাড়ফুক দেয়া ছাড়া শুধু তামা, পিতল বা লোহা দ্বারা তাবিজ বানিয়ে লটকিয়ে রাখা। অর্থাৎ শুধু এগুলো লটকানো দ্বারাই রোগমুক্ত হওয়া যাবে বিশ্বাস করে তা লটকানো নাজায়িজ।

২-এমন তাবিজ যাতে আল্লাহর নাম, কুরআনের আয়াত, দুআয়ে মাসূরা ব্যতিত শিরকী কথা লিপিবদ্ধ থাকে।

৩-তাবীজকে মুয়াসসার বিজজাত তথা তাবীজ নিজেই আরোগ্য করার ক্ষমতার অধিকারী মনে করে তাবিজ লটকানো। এ বিশ্বাস জাহেলী যুগে ছিল, বর্তমানেও ইসলাম সম্পর্কে কিছু অজ্ঞ ব্যক্তিরা তা মনে করে থাকে।

দুআ' ও রুকইয়াহ

গ্রুপের কাজ করতে যেয়ে যেসব বিচিত্র অভিজ্ঞতা হয়েছে তার মধ্যে একটি হল, যদি কারও সমস্যার কথা শুনে যদি দুআ করতে বলি তাহলে মনেকরে তার সমস্যাকে গুরুত্ব দেই নি অথবা রাগ করে রুকইয়াহ সাজেস্ট না করে দুআ'র কথা বলেছি। অথচ দুআ'র গুরত্ব অপরিসীম। যাদুক্রান্ত হয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কাছে বার বার দুআ' করেছিলেন, যার বদৌলতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর প্রিয় হাবীবকে সুস্থ করেছিলেন। মেশকাত শরীফে হাদিস এসেছে যেখানে "দুআ'কে আসল ইবাদত", "ইবাদতের মগজ" বলে উল্লেখ করা হয়েছে। (মেশকাত, ৫ম খণ্ড, এমদাদিয়া লাইব্রেরী। এর মানে কিন্তু এই না যে, ফরয ইবাদত বাদ দিয়ে শুধু দুআ'ই করে যাব!)

পরবর্তি কথা বলার আগের তাকদ্বীর বা ভাগ্য নিয়ে দুটো হাদিস শেয়ার করতে চাই।

১। সহীহ মুসলিমে আছে, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “বদনজর সত্য, ভাগ্যের চেয়েও আগে বেড়ে যায় এমন কিছু যদি থাকতো, তাহলে অবশ্যই সেটা হতো বদনজর! যদি তোমাদের বদনজরের জন্য গোসল করতে বলা হয় তবে গোসল কর"। (ইফা, হাদিস নং ৫৫৩৯)