












বদনজর, জ্বিন, যাদু ও অন্যান্য সমস্যার জন্য কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক পরামর্শ পেতে...
জ্বি, রুকইয়াহ সবাই করতে পারবে। মুসলিম/অমুসলিম কোনো ভেদাভেদ নেই এখানে। মুসলিমরা যেভাবে রুকইয়াহ করে, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-অন্যরাও সেভাবেই কর...
মাঝে মাঝে এমন উদ্ভট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে যে, চট করে কি জবাব দিব ভেবে পাই না। ফোনে আসলে তো চিন্তা-ভাবনা করার তেমন সুযোগ পাই না। কিন্তু কিছু না কিছু তো বলাই লাগে। তো এই প্রশ্নের উত্তরটা একটু গুছিয়ে লেখার ট্রাই করি।
জ্বি, রুকইয়াহ সবাই করতে পারবে। মুসলিম/অমুসলিম কোনো ভেদাভেদ নেই এখানে। মুসলিমরা যেভাবে রুকইয়াহ করে, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-অন্যরাও সেভাবেই করবে। তবে অমুসলিমরা স্বভাবতই কিছু বিষয়ের মুখোমুখি হবে রুকইয়াহ করতে যেয়ে। সেসব নিয়েই আজকের লেখা।
রুকইয়াহ নিয়েও মানুষ ফ্যান্টাসিতে ভুগে। বিশ্বাস হয়?
রুকইয়াহ তথা ইসলামসম্মত ঝাড়ফুক করে যে সুস্থ হওয়া আল্লাহর রহমতে সম্ভব এটা কয়েকবছর আগেও এদেশে তেমন কেউ জানতো না। বিশ্বাস করতো আরও কম। কিন্তু বর্তমানে এটা কয়েক লক্ষ লোকের কাছে বাস্তবতা।
দুইটি সুরত হতে পারে। যেমনঃ
এমন পরিবার অনেক আছে বাংলাদেশে। পুরো পরিবার আক্রান্ত। নাহয় ভাই-বোন আক্রান্ত না হয় স্বামী-স্ত্রী আক্রান্ত। এসব ক্ষেত্রে শয়তান পরস্পরের সহযোগি হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি দুই বোনের যাদুর প্রবলেম হয় তাহলে একবোন রুকইয়াহ করলে অন্যবোনের পিছনে লেগে থাকা শয়তান প্রথম বোনের পিছনে লেগে থাকা শয়তানকে সাহায্য করে, উৎসাহ যোগায়। মানে তারা একজোট হয়ে যেবোন রুকইয়াহ করছে তার পিছনে লাগতে পারে।
প্রিয় ভাইয়েরা, যারা জিন-জাদুর জগৎ নিয়ে কাজ করছেন!
রাকির (যিনি রোগিদের রুকইয়াহ করেন) কয়েকটি প্রকারঃ
ছোট করেই লিখি। বিয়ের জন্য কি কি বিষয় দেখা লাগবে সেগুলো মোটামুটি আমাদের আইডিয়া আছে। কারও না থাকলে কোনো আলেমের কাছে গেলেই বলে দিবেন ইন শা আল্লাহ।
যারা যাদুগ্রস্থ তারা এই আয়াতগুলো তেলাওয়াত করবেন। ইন শা আল্লাহ উপকারি হবে।
এই কথার জবাব ব্যাখ্যা সাপেক্ষ। এমনিতে প্রেগন্যান্ট অবস্থায় রুকইয়াহ করা নিষেধ নয়। এমন নিষেধাজ্ঞা কেউ জারি করে নি। তবে প্রশ্নটা এমন হতে পারে, প্রেগন্যান্ট অবস্থায় কি আপনি রুকইয়াহ করবেন?